স্বর্ণ উৎপাদনে শীর্ষ ১০ দেশ!

গেল বছর বিশ্বব্যাপী ৩ হাজার ২৪৭ টন স্বর্ণ উৎপাদন হয়েছে। এ পরিমাণ ২০১৬ সালের তুলনায় মাত্র ৫ টন কম। ২০০৮ সালের পর এটাই সর্ব প্রথম বিশ্বে স্বর্ণ উৎপাদন কমলো। সম্প্রতি বিশ্বের শীর্ষ ১০ স্বর্ণ উৎপাদনকারী দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে রয়টার্সের গবেষণা ইউনিট জিএফএমএস।

চীন: প্রতিবারের মতো গত বছরও স্বর্ণ উৎপাদনে শীর্ষে ছিল চীন। এ সময় এশিয়ার এই বৃহত্ অর্থনীতির দেশটিতে মূল্যবান এ ধাতুটির উৎপাদন ৪২৬ টন। যা বিশ্বে মোট স্বর্ণের উৎপাদনের ১৩ শতাংশ। তবে পরিবেশ দূষণ বিরোধী সরকারের অভিযানে এই অংক গত বছর ৬ শতাংশ কমেছে।

অস্ট্রেলিয়া: ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়ায় উৎপাদন হয়েছে ২৯৫ দশমিক ১ টন স্বর্ণ। এ পরিমাণ আগের বছর থেকে ৫ টন বেশি। তবে এ খাতের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান মাইনএক্স বলছে, এ সময় অস্ট্রেলিয়ায় স্বর্ণ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল আরও বেশি।
রাশিয়া: অস্ট্রেলিয়ার গত বছর তৃতীয় স্থান দখল করেছে রাশিয়া। ২০১৭ সালে দেশটি ২৭০ দশমিক ৭ টন স্বর্ণ উৎপাদন করেছে। এ নিয়ে টানা ৭ বছর রাশিয়ায় স্বর্ণ উৎপাদন বাড়ছে।

যুক্তরাষ্ট্র: ২৩০ টন স্বর্ণ উৎপাদন করে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে বিশ্বের বৃহত্ অর্থনীতির দেশটি। ২০১৬ সালের তুলনায় এই উৎপাদন ৮ টন বেশি।
কানাডা: ২০১৭ সালে কানাডায় স্বর্ণ উৎপাদন হয়েছে ১৭৫ দশমিক ৮ টন। এর পরিমাণ ২০১৬ সাল থেকে ১০ টন বেশি। ওই সময় দেশটিতে উৎপাদন হয় ১৬৫ দশমিক ৮ টন।

পেরু: চীনের মতো পেরুতেও কমেছে স্বর্ণ উৎপাদন। ২০১৭ সালে দেশটি ১৬২ দশমিক ৩ টন ধাতু উৎপাদনে সক্ষম হয়; যা তার আগের বছর থেকে ৬ টন কম। অবৈধ খনিতে অভিযান চালানোর কারণে দেশটি আলোচ্য বছরে স্বর্ণ উৎপাদন কম হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
ইন্দোনেশিয়া: গত বছর বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুসলিম দেশটিতে স্বর্ণ উৎপাদন ১১ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে। ২০১৭ সালে দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ায় স্বর্ণ উৎপাদন হয়েছে ১৫৪ দশমিক ৩ টন।

দক্ষিণ আফ্রিকা: ২০০৮ সালের পর থেকে দক্ষিণ আফ্রিকায় স্বর্ণ উৎপাদন কমছে। এক সময় স্বর্ণ খনির দেশ বলে পরিচিত দেশটিতে গেল বছর ১৩৯ দশমিক ৯ টন স্বর্ণ উৎপন্ন হয়।
মেক্সিকো: মেক্সিকোয় স্বর্ণ উৎপাদন ২০১৬ সালের তুলনায় কমেছে ৩ টন। ২০১৭ সালে দেশটিতে উৎপাদন হয় ১৩০ দশমিক ৫ টন।
ঘানা: ঘানায় গত বছর স্বর্ণ উৎপাদন হয়েছে ১০১ দশমিক ৭ টন স্বর্ণ।

তথ্যসূত্র: আরটিভি অনলাইন ডটকম।

Check for details
SHARE