আমাকে ভাল কিছু করতে হবে এই মনোভব রাখা চাই!

টাঙ্গাইল জেলায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন জুয়েল। তিনি ২৪তম বিসিএসের মাধ্যমে ২০০৫ সালে লালমনিরহাট জেলায় সহকারী কমিশনার হিসেবে যোগদান করেন।

এরপর বান্দরবন, রাজশাহীতে এসিল্যান্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ সচিবালয়ে উপ-পরিচালক হিসেবে ও সংসদীয় স্থায়ী কমিটির একজন সভাপতির একান্ত সচিব হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমানে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)।

টাঙ্গাইল নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, টাঙ্গাইলে বাল্য বিবাহ ও মাদক এই সমস্যা দুইটি অন্যতম। বাল্য বিবাহ ও মাদক এই দুইটি সমস্যা নিরসনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিটি উপজেলায় এ সমস্যা নিরসনে নিয়মিত সভা সমাবেশ করা হচ্ছে।

বাল্য বিবাহ নিরুৎসাহিতকরণে ও বন্ধে মাঠ পর্যায়ে অনেকেই কাজ করছে। জনগণের মাঝে জনসচেতনতা বৃদ্ধিকল্পে যেখানেই সমাবেশ হচ্ছে আমরা সেখানেই যাচ্ছি। তিনি বলেন, একটি বাড়ি একটি খামার এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য আমাদের দেশ থেকে দারিদ্র দূর করা ও দারিদ্র বিমোচন করা।

একটি বাড়ি একটি খামার এই প্রকল্প বাস্তবায়নে আমরা টাঙ্গাইলে সবাই মিলে কাজ করে যাচ্ছি। সরকারের যাবতীয় যে উন্নয়ন কমকান্ড রয়েছে তা জেলা পর্যায়ে সমন্বয়ের দায়িত্ব জেলা প্রশাসকের। জেলা প্রশাসককে সার্বিকভাবে সহায়তা করতে আমরা সবসময় কাজ করছি।

নিজের সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। ছাত্রজীবনে আমার পরিবার আমাকে সবসময়ই সহায়তা করেছে, পড়ালেখায় ভালো করার জন্য অনুপ্রেরণা দিয়েছে।

আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছি। তারপর তো বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে যোগদান করেছি। তরুণদের অনুপ্রেরণা যোগাতে তিনি বলেন, প্রতিটি তরুণ বা ছাত্র-ছাত্রীর একটা নির্দিষ্ট ভিশন থাকতে হবে। স্বপ্নটা অনেক বড় হতে হবে। আমাকে ভালো কিছু করতেই হবে এমন মনোভাব থাকতে হবে। প্রত্যেকেরই সৎ চিন্তা করতে হবে। চিন্তা চেতনায় নৈতিকতাসম্পন্ন থাকতে হবে।

বিশেষ করে কেউ যদি সিভিল সার্ভিসে যোগদান করতে চায়, তাহলে তাকে দেশের জন্য কিছু করবো এমন চিন্তা করতে হবে। সৎ ও যোগ্যতাসম্পন্নরা এই সার্ভিসে আসবে, এটাই প্রত্যাশা করি।

তথ্যসূত্র: যুগান্তর ডটকম।

Check for details
SHARE