সহজে জাপানের ভিসা পেতে চাইলে!

জাপানের ভিসা পাওয়ার জন্য সময় অনুযায়ী অফিস থেকে ভিসা আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করতে হয়। আবেদন ফর্মটি ওয়েব সাইট থেকেও ডাউনলোড করা যায়। ভিসা আবেদনের নিয়ম: ভিসা আবেদনকারীকে আবেদন ফর্মটি যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে এবং ২ কপি ২”/২” ছবি ব্যবহার করতে হবে। ছবি অবশ্যই ৬ (ছয়) মাসের মধ্য তোলা হতে হবে। প্রত্যেক কর্ম দিবসে সকাল ৯.৩০ টা থেকে বেলা ১১.৩০ টার মধ্যে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। আবেদনপত্রের সাথে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত না করলে বা ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার ৬ মাস অতিক্রম না করতেই পূনরায় ভিসার জন্য আবেদন করলে, ভিসা প্রদান করা হয় না। আবেদনপত্র জমা দিলে আবেদনকারীকে অফিস থেকে আবেদনপত্র জমার রশিদ প্রদান করা হয়।

ইন্টারভিউ: আবেদনপত্র জমার পর ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হয়। ইন্টারভিউ শেষে পাসপোর্ট কিভাবে সংগ্রহ করা যাবে তা জানানো হয়।আবেদনপত্র জমার রশিদে পাসপোর্ট সংগ্রহের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

পাসপোর্ট প্রদানের নিয়ম: অফিস কর্তৃক ঘোষিত সময়ে পাসপোর্টসহ জমাকৃত সকল কাগজপত্র আবেদনকারীকে ফেরত দেওয়া হয়। পাসপোর্ট ফেরত পেতে আবেদনপত্র জমার রশিদ দেখাতে হয়। আবেদনকারীর অনুমোদিত ব্যক্তি পাসপোর্ট তুলতে চাইলে আবেদনপত্র জমার রশিদ এবং আবেদনকারীর সহি-স্বাক্ষর সম্বলিত পত্র সাথে আনতে হবে।

মাল্টিপল ভিসা: ৯০ দিনের জন্য জাপান সফর করতে মাল্টিপল ভিসা প্রদান করা হয়। মাল্টিপল ভিসার মেয়াদ থাকে ১ বছর। মাল্টিপল ভিসা পেতে আবেদনকারীকে প্রুফ লেটার এবং প্রুফ লেটারের সাথে রেফারেন্স সংক্রান্ত কাগজপত্র দাখিল করতে হয়। দেশের বাইরে অবস্থানকারী বাংলাদেশী নাগরিক যারা বাংলাদেশে অবস্থান করেন না, তাদের ভিসা আবেদন গ্রহন করা হয় না। এমনকি বিদেশী নাগরিক যারা বাংলাদেশী নাগরিক নন এবং যারা বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করেন তাদের ভিসা আবেদনপত্র গ্রহণ করা হয় না।

বিজনেস ভিসার জন্য প্রয়োজন: জাপানে যাওয়া আসার এয়ার লাইন বুকিং স্লিপ, আবেদনকারীর নিয়োগকারীর সনদ, জাপান সরকার কর্তৃক প্রদত্ত আমন্ত্রণপত্র, জাপান ভ্রমণ সংক্রান্ত এলসি, ভ্রমন সংশ্লিষ্ট মালপত্র বহনের তালিকা, অর্থনৈতিক সামর্থ্যের প্রমানপত্র, আবেদনকারী নিজে বিজনেস ভিসায় জাপান ভ্রমণ করতে চাইলে আবেদনকারীর বার্ষিক আয়ের বিবরনী, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, আবেদনকারীর ভ্রমণ খরচ যদি জাপানের কোন কোম্পানী বহন করে তাহলে গ্যারান্টি লেটার, জাপানী কোম্পানীর রেজিষ্ট্রেশন, জাপানী কোম্পানী থেকে প্রাপ্ত নিয়োগপত্র, ব্যবসায়িক কার্যক্রমের প্রমানপত্র।

স্টুডেন্ট ভিসা জন্য প্রয়োজন: আবেদনপত্র, বৈধ পাসপোর্ট, পুরাতন পাসপোর্ট (যদি থাকে), ২ কপি ছবি (২/২), এলিজিবিলিটি সার্টিফিকেট (সরকারী বৃত্তিপ্রাপ্তদের প্রয়োজন নেই), জীবন বৃত্তান্ত, জাপানী ইনষ্টিটিউট কর্তৃক প্রদত্ত একসেপটেন্স লেটার (যদি থাকে), অর্থনৈতিক সামর্থ্যের প্রমাণপত্র, একাডেমিক সার্টিফিকেটের মূল কপি এবং ফটো রেজিষ্ট্রেশন সার্ভিস (যদি থাকে), পেমেন্ট রিসিভ রিসিপ্ট এবং রেমিটেন্স রিসিপ্ট ফর টিউশন (যদি থাকে)

ভ্রমণ ভিসার জন্য প্রয়োজন: আবেদনপত্র, বৈধ পাসপোর্ট, পুরাতন পাসপোর্ট (যদি থাকে), ২ কপি ছবি (২/২), যাওয়া আসার এয়ার লাইন বুকিং স্লিপ, আমন্ত্রণপত্র (যদি গ্যারান্টর থাকে), গ্যারান্টরের সাথে সম্পর্কের কাগজপত্র (যদি গ্যারান্টর থাকে), অর্থনৈতিক সামর্থ্যের প্রমাণপত্র (যদি ভ্রমণের খরচ ভ্রমণকারী নিজে বহন করে, ইনকাম ট্যাক্স সার্টিফিকেট (যদি থাকে) ব্যাংক স্টেটমেন্ট)

জাপানী গ্যারান্টর থাকলে গ্যারান্টি লেটার: ইনকাম ট্যাক্স সার্টিফিকেট, ব্যাংক স্টেটমেন্ট(যেকোন একটি), সিটিজেন রেজিষ্ট্রেশন অথবা সার্টিফিকেট এবং পাসপোর্ট কপি। বিশেষ দ্রষ্টব্য: ভিসা আবেদনের জন্য কোন রকম ফি প্রদান করতে হয় না। ইমেইল বা ফ্যাক্সের মাধ্যমে কোন কাগজপত্র গ্রহণ করা হয় না।

তথ্যসূত্র: ট্রাভেল লাইফ।

Check for details
SHARE