প্রখ্যাত ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমানের কর্মজীবন!

এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের ব্যবসায়ী নেতাদের সমন্বয়ে ২০০৪ সালে চীনের সাংহাইতে প্রতিষ্ঠিত ইউনেসক্যাপের ১২তম বিজনেস অ্যাডভাইজরি কাউন্সিলের (ইবিএসি) দ্বিবার্ষিক সভায় মাহবুবুর রহমান সর্বসম্মতিক্রমে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের সদস্য দেশগুলোর মন্ত্রী যারা এসক্যাপের পরিষদে আছেন তাঁদের উন্নয়নসংক্রান্ত ইস্যুগুলোতে বিশেষত বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ এসক্যাপ কমিশনে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদানের লক্ষ্যে ইউনেসক্যাপ বিজনেস অ্যাডভাইজরি কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করে।

বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল আরবিট্রেশন সেন্টারের (বিয়াক) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান সম্প্রতি চীনের আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য আরবিট্রেশন কমিশনের (সাইটাক) আরবিট্রেটর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি বাংলাদেশ থেকে এ সংস্থার নিযুক্ত একমাত্র আরবিট্রেটর।সাইটাক বিশ্বের প্রধান স্থায়ী আরবিট্রেশন প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। এটি ১৯৫৬ সালে চীনের কাউন্সিল ফর ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড প্রমোশনের (সিসিপিআইটি) অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংস্থাটি সালিসির মাধ্যমে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্য বিরোধ সমাধান করে। বিয়াক একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। এটি দেশে একমাত্র সরকারি লাইসেন্সপ্রাপ্ত বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তিকারী প্রতিষ্ঠান।

প্রখ্যাত ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট। তিনি এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি ও সার্ক চেম্বারের প্রতিষ্ঠাতা ভাইস প্রেসিডেন্ট। ১৯১৯ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে প্রতিষ্ঠিত এবং বর্তমানে ১৩২টি দেশে বিস্তৃত বিশ্ব বাণিজ্য সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশ শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। জাতিসংঘের এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের বিজনেস অ্যাডভাইজরি কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটের পরিচালনা পর্ষদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন।

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত ইটিবিএল হোল্ডিংস লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং প্রধান নির্বাহী। তিনি ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ও বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল আরবিট্রেশন সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং অর্থনীতি বিষয়ক একমাত্র ইংরেজি ডেইলি দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের প্রকাশনা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল পাবলিকেশনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান।

১৯৯২-৯৪ মেয়াদে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের সর্বোচ্চ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং ১৯৮৫ ও ১৯৯১ সালে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ছিলেন। এছাড়া আট জাতিবিশিষ্ট দক্ষিণ এশীয় ব্যবসায়ীদের সংগঠন সার্ক চেম্বারের প্রতিষ্ঠাতা সহসভাপতি (১৯৯৩-৯৫) এবং ৫৭ জাতিবিশিষ্ট ইসলামী রাষ্ট্রগুলোর ব্যবসায়ীদের সংগঠন ইসলামিক চেম্বারের সহসভাপতি (১৯৯৩-৯৫) ছিলেন।

তথ্যসূত্র: দি প্রোঢাইল ডট ইনফো মাহবুবুর রহমান।

Check for details
SHARE