তারুন্যের যাত্রা পৃথিবীর সীমানা ছাড়িয়ে….

আবার গাঙে আসবে জোয়ার, দুলবে তরী রঙ্গে, সেই তরীতে হয়ত কেহ থাকবে তোমার সঙ্গে- দুলবে তরী রঙ্গে, পড়বে মনে সে কোন রাতে এক তরীতে ছিলেম সাথে, এমনি গাঙ ছিল জোয়ার, নদীর দু’ধার এমনি আঁধার তেমনি তরী ছুটবে- বুঝবে সেদিন বুঝবে!

এমনি ভাবে কাজী নজরুল ইসলামের কন্ঠে যে  তারুণ্যের জয়গান ফুটে উঠছে তা রুখতে পারে সকল বাঁধা। ছিনিয়ে আনতে পারে সকল জয়। সেই  তারুণ্যকে বয়সের মধ্যে বেঁধে রাখা কোন ভাবেই সম্ভব নয়। তারুন্য তার পদচিহৃ একের পর এক একে দিয়ে চলেছে এই পৃথিবীতে দৃপ্ত পদক্ষেপে। যার অর্জন  মানুষকে মহাশুণ্যে চাঁদের বুকে পৌছে দিয়েছে।

তারুণ্যের শক্তি এতটাই যা সুর্যের আলোর মতই প্রখর। একবার যদি নিজের মধ্যে  লুকানো এই শক্তিকে আবিস্কার করা যায় তা পৃথিবীর জন্য কল্যাণ বয়ে আনতে পারে। প্রতিটা মানুষের মধ্যে এই শক্তি সুপ্ত অবস্থায় আছে। পরিচর্যার মাধ্যমে তা ফুটিয়ে তুলতে হবে। আর এই কাজটি করতে  সব সময় পজেটিভ থাকতে হবে নিজেকে। আত্মবিশ্বাস নিয়ে লেগে পড়ে থাকতে হবে ভাললাগার কাজটিতে।

নতুনত্বকে দেখে ভয় পাবার কিছু নেই। যে কোন কিছুকে ভিন্নভাবে চিন্তা করার ও অসম্ভব জিনিস  উদ্ভাবনের সাহস থাকতে হবে তারুণ্যের মাঝে।  অপরিচিত পথে চলার কৌশলও আয়ত্ব করা চাই। নতুন আবিষ্কারের নেশা থাকা চাই জয় পেতে।  সেই সাথে সমস্যার সমাধান বের করে সফল না হওয়া পর্যন্ত লেগে হবে। বাস্তবতার নিরিখে পর্যালোচনা করে এগিয়ে যেতে হবে সামনের দিকে।

মেঘে ঢাকা কালো আকাশ থেকেই বৃষ্টির ধারা নেমে আসে। মেঘ কেটে যায় ফুটে সুর্যের আলো। বৃষ্টির ছোঁয়ায় মাঠে সবুজের সমারোহ ঘটে। সবুজের দান শস্যদানা মানুষের বেঁচে থাকার অবলম্বন হয়। আর এই অবলস্বনের গল্পের পেছনে কাজ করে কোটি কোটি হাত। আগুনের আবিস্কার থেকেই মানব সভ্যতার যাত্রা শুরু। চাকার আবিস্কারে যার গতি। মুঠোফোনে সারা পৃথিবী দেখা। যা মানুষ কল্পনাও করে নাই তা সম্ভব করেছে।

তারুণ্য লক্ষ কোটি বিফলতার গল্পকে রুপ দিয়েছে সফলতায়। বিদ্যুত বাতি আবিস্কারের পেছনে দশ হাজার বার বিফলতার মালা গেঁথে এসেছিল একটা সফলতা। যা অন্ধকারে আলোকিত করেছে পুরো বিশ্বকে। আর তারই পথ ধরে হাটতে হাটতে মানুষ দ্বিতীয় কোন গ্রহে আবাসের পথে চলেছে। সেদিন হয়ত খুব বেশী দূরে নয় যেদিন মঙ্গলে মানুষের দেখা মিলবে।

বসে থাকার দিন শেষ নিজে কিছু করে দেখানোর সময় এসেছে। তারুণ্যকে লুকিয়ে নয় হাতে নিয়ে নেড়ে চেড়ে দেখার সময় এসেছে। এমন কিছু একটা করে দেখাও যা বিশ্ব দেখেনি আগে! তোমার নামটিও রেখে যাও বিজয়ের পথে বিজয়ী হিসেবে। তোমাকেও স্মরণ করবে তোমার
আবিস্কারের সাথে।

মোটিভেশনাল লেখক:
মো: মাসুদুর রহমান (মাসুদ)

Check for details
SHARE