ছুটির প্রয়োজন হলে কীভাবে অফিসকে জানাবেন!

কর্মক্ষেত্রে সবচেয়ে কঠিন কাজের একটি হলো বসের কাছ থেকে ছুটি নেওয়া। আর বিশেষ প্রয়োজনে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ছুুটি জরুরি হয়ে পড়লে তো কথাই নেই। এসব ক্ষেত্রে বসের কাছে বিষয়টি উপস্থাপনের কিছু কৌশল আছে। এ নিয়েই আজকের টিপস :

কখন বলা যায়: বসের ব্যাপক ব্যস্ততা আর চাপের মুহূর্তে ছুুটির কথা না বলাই ভালো। খেয়াল রাখবেন, আপনার বিভাগীয় প্রধান একটু ফ্রি আছেন কখন? কিংবা ভালো মেজাজে সময় কাটাচ্ছেন। এগুলোই মোক্ষম সময় উদ্দেশ্য হাসিলে। তাই অপেক্ষায় থাকুন। তবে হঠাৎ জরুরি অবস্থার উদয় হলে কিছু করার থাকে না। তখন যতটা সম্ভব বিনয়ের সঙ্গে সমস্যা বুঝিয়ে বলুন।

হাতে লেখা চিঠি: এর চল এখন নেই বলেই চলে। কিন্তু আবেদন এতটুকুও কমেনি। লিখিতপত্রকে সব সময়ই গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়। আপনার ছুুটির প্রয়োজনের গুরুত্ব বোঝাতে হাতে লেখা পত্র বেশ কাজে দেবে। ঠিক আগে যেভাবে স্কুলে শিক্ষকের কাছে ছুুটির দরখাস্ত করতেন, সেভাবেই করে ফেলুন। একটা ই-মেইল করে দিলেও যথেষ্ট। কিন্তু অবস্থার গুরুত্ব বুঝে চিঠি লিখলে ভালো।

পিক-আওয়ারে নয়: যদি বস কোনো কাজের ডেডলাইন ধরিয়ে দেন, তবে তা শেষ না করে ছুুটি চাইতে পারেন না। যদি আপনার বার্ষিক রিভিউয়ের সময় চলে আসে, তো ছুুটি নেওয়া বোকামি ছাড়া কিছুই নয়। কাজেই এই বিশেষ পরিস্থিতিগুলো এড়িয়ে চলুন।

অনুরোধ করুন: মনে রাখবেন, ছুুটি লাগবে বিষয়টা জানিয়ে দেওয়া নয়। অনুরোধ করতে হবে আপনাকে। নিজের জরুরি প্রয়োজনের কথা বুঝিয়ে বলতে হবে। নয়তো ছুুটি মিলবে না।

যাদের জানানো প্রয়োজন: ছুুটির ক্ষেত্রে আরো কিছু পরিস্থিতির উদ্ভব হয়। আপনি না থাকলে সেই দায়িত্ব পালনে হয়তো অন্য কারো সহায়তার দরকার। কিংবা কেবল বিভাগীয় প্রধানকে জানালেই যথেষ্ট নয়, সংশ্লিষ্ট কাউকে জানাতে হবে। এসব ক্ষেত্রে অবশ্যই তাঁদের জানিয়ে রাখুন।

তথ্যসূত্র: জবস অ্যান্ড ক্যারিয়ার

Check for details
SHARE