ছাই থেকেও সোনা তৈরী হয়

1510888_655245994579192_960319732102350022_nছাই থেকে যদি সোনা হতে পারে তাহলে আপনি কেন উদ্যোক্তা হতে পারবেন না….?

ছাই থেকে সোনা তৈরী করার রহস্য সম্পর্কে বলব যা আপনাদের অনেকেরই অজানা….যেখানে দেখিবে ছাই উড়াইয়া দেখ তাই পাইলেও পাইতে পারো অমূল্য রতন। এ কথাটি বাস্তবে রূপ দিয়েছে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার চারিগ্রাম ও গোবিন্দল ইউনিয়নের শত শত পরিবার।

ছাই থেকে সোনা! যদিও কাজটি অসম্ভব কিন্তু এই অসম্ভব কাজটি বাস্তবে প্রতিনিয়ত সম্ভব করে চলছে তারা।

এখানে ছাই থেকে সোনা তৈরির কঠিন কাজটি প্রায় দেড়শ বছর ধরে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। যা কিনা দেশের আর কোথাও হয়না। অবাক করার কথা হল এই সোনা তৈরিকে কেন্দ্র করে চারিগ্রাম বাজারে সাপ্তাহিক সোনার হাটও বসে।

ছাই থেকে সোনা তৈরীর জন্য স্বর্ণের দোকানের পরিত্যক্ত ছাই কিনে সেগুলোকে পুড়ানো হয়। সেই ছাই পুড়ে এক প্রকার ধুলায় রুপান্তরিত হয়। সেই মিহিন ধুলার সাথে সোহাগা, ব্যাটারির শিশা ও পুনট দিয়ে ছোট ছোট পিন্ড (দলা) তৈরি করা হয়।

এরপর রোদে শুকানো পিন্ড আগুনে গলিয়ে পিচ করা হয়। সেই পিচ ঢেকিতে পাড় দিয়ে গুড়ো করা হয়। মাটিতে গর্ত করে চুন ও ধানের তুষ দিয়ে পুড়িয়ে শিশা বের করা হয়। ছাকনি দিয়ে ছেকে পানিতে ধুয়ে সেই শিশা আলাদা করা হয়।

আলাদা করা সেই শিশার মধ্যে নাইট্রিক এসিড দিয়ে বের করে আনা হয় সোনা ।

এখানের কারিগররা স্বর্ণের দোকানের পরিত্যাক্ত ছাই থেকে খুব পরিশ্রম করে সোনা বের করছেন। আর দেশের চলমান অর্থনীতিতে যোগ করছেন কোটি কোটি টাকা ।

আপনাদেরকে সফল এ মানুষ গুলোর জীবিকা নির্বাহের কথা বললাম এ কারনে, তাদের পূর্বপুরুষেরা যদি দেড়শ বছর আগে ছাই থেকে সোনা তৈরীর মত এমন আইডিয়া বের করতে পারে তাহলে আপনি কেন পারবেন না নতুন কোন ব্যবসায়ের আইডিয়া বের করতে।

বিশ্বাস করি নতুন আইডিয়া নতুন দিগন্তের সূচনা করবে। সেই পথে আপনি থাকবেন এগিয়ে।

সাথে থাকবেন। মতামত জানাবেন। শুভকামনা রইল সকলের জন্য……
লাইক দিয়ে পেইজের সাথে থাকুন ও আপনার বন্ধুদের ইনভাইট করুন পেইজে। এবং এ বিষয় সম্পর্কে অন্যদের জানাতে পোষ্টটি শেয়ার করতে পারেন……

 

Check for details
SHARE