ক্যাশ বেনিফিট কিভাবে পাবেন!

বাংলাদেশী রপ্তানিকারকদের জন্য রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে Cash benefit প্রথা অব্যাহত আছে। সরাসরি রপ্তানি (Direct Export ) ও প্রচ্ছন্ন রপ্তানি ( Deemed Export), দুই ক্ষেত্রে প্রায় একই রকম ডকুমেন্ট ব্যাংকে জমা দিতে হয়। ২ বছর পূর্বে এই Incentive রপ্তানিকারকগণ সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পেতেন। বর্তমানে রপ্তানিকারকগণ নিজ নিজ ব্যাংক-এর মাধ্যমে এই অর্থ পেয়ে থাকেন। সরাসরি রপ্তানিকারকগণকে যে সকল ডকুমেন্টসহ ক্যাশ বেনিফিটের জন্য আবেদন করতে হয় তা হচ্ছে-

একঃ কোম্পনির ফরওয়ার্ডিং লেটার। দুইঃ সঠিকভাবে পূরন করা আবেদন ফরম। তিনঃ রপ্তানি এলসি কপি। চারঃ ব্যাক টু ব্যাক এলসি কপি, ক্যাশ মেমো, ব্যাংক ড্রাফট, পেঅর্ডার, চেক, কমার্শিয়াল ইনভয়েস, চালান, ট্রাক, কাঁচামালের উৎসের সত্যতা যাচাই এর রিসিট। পাঁচঃ বিএল বা এডবি−উবি (এয়ার ওয়ে বিল) এর সত্যায়িত কপি। ছয়ঃ শিপিং বিল এর সত্যায়িত কপি।

সাতঃ পিআরসি (প্রসিডস্ রিয়েলাইজেশন সার্টিফিকেট) আটঃ ফরেন কমিশনের ফ্রেইট সার্টিফিকেট। নয়ঃ ব্যাংক সার্টিফিকেট (বিবিএলসি কপিসহ) দশঃ ইআরসি কপি। এগারোঃ বোর্ড অব ইনভেস্টমেন্ট সার্টিফিকেট। বারোঃ ভ্যাট রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট। তেরঃ ইউটিলাইজেশন ডিক্লিয়ারেশন/ ইউটিলাইজেশন পারমিশন কপি। চৌদ্দঃ বিটিএমএ সার্টিফিকেট কপি।

প্রচ্ছন্ন শিল্পের রপ্তানির পর Cash Benefit লাভের জন্য সরাসরি রপ্তানির মতো উপরে উল্লিখিত: ১৪ টি ডকুমেন্ট দিতে হবে। তবে এক্ষেত্রে আরও ৪টি অতিরিক্ত ডকুমেন্ট জমা দিতে হবে। সেগুলো হচ্ছেঃ একঃ ক্রেতার ব্যাংক কর্তৃক অরিজিনাল মাস্টার/ এক্সপোর্ট এলসি সার্টিফিকেট। দুইঃ ক্রেতার ইনভয়েসের সার্টিফিকেট কপি। তিনঃ ক্রেতার এক্সপোর্ট এলসির ফ্রেইট সার্টিফিকেট। চারঃ ক্রেতার এক্সপোর্ট এলসির পিআরসি (প্রসিডস্ রিয়েলাইজেশন সার্টিফিকেট)।

রপ্তানিকারক হিসেবে আপনি কী কী বিশেষ সুযোগ-সুবিধা পেতে পারেন: দ্রুত রপ্তানি উন্নয়নের জন্য সরকার বিভিন্ন প্রকার সুযোগ সুবিধা দিয়ে আসছে। প্রয়োজনবোধে সুযোগ-সুবিধার পরিধি বাড়াতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। রপ্তানিকারক হিসেবে এ সকল সুযোগের সদ্ব্যবহার করে আপনি একদিকে যেমন আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন সাধন করতে পারেন অপরদিকে, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিতকরণে বলিষ্ট ভূুমিকা পালন করার গৌরব অর্জন করতে পারেন।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

Check for details
SHARE