এসি কেনার আগে অবশ্যই যা জানতে হবে!

দিন দিন উত্তপ্ত হচ্ছে পৃথিবী। আর তার সাথে বাংলাদেশে গরম যেন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে । এবছর বোধ হয় সত্যি গরমের সব রেকর্ড পিছনে ফেলে তাপমাত্রা প্রায় ৪০ডিগ্রি পোঁছে গেছে ইতিমধ্যে। তাই ঘরে একটি এসি না হলে আর চলছেই না। অনেকেই তাই আজকাল কষ্ট করে হলেও এসি কিনছেন । বর্তমানে বাজারে প্যানাসনিক, এলজি, সনি, ক্যারিয়ার, শার্প এবং ওয়ারপুল ব্র্যান্ডের এসির চাহিদা বেশি।

তাই আসুন এসি কেনার আগে জেনে নিন দুর্দান্ত ও গুরুত্বপূর্ন টিপস, প্রয়োজনীয় তথ্য, যে কিভাবে কোন এসিটি আপনার ঘরে জন্য কেনা সবচেয়ে উপযুক্ত হবে। এসি এমন ঘরে লাগাবেন যে রুমগুলি সবচেয়ে বেশী ব্যবহার করা হয়। সব ঘরেতো আর এসি লাগান সম্ভব নয়। তাই সবচেয়ে বেশী ব্যবহার করা হয় এমন ঘরে লাগালে আপনার ঘরে বিদ্যুৎ খরচ অনেক কম হবে আর এসির সুফল ও পুরোপুরি ভোগ করতে পারবেন । প্রথমেই এসির প্রকারভেদ: সাধারণত আমরা চার প্রকারের এসি দেখতে পাই।

উইন্ডো মাউন্তেড বা জানালার এসি:
সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত এসি যা দুই দরজার জানালার একপাশে লাগানো হয় । আপনি শুধুমাত্র আপনার ঘর ঠান্ডা করার জন্য বা ঠান্ডা /গরম দুটিই যাতে করতে পারেন এমন এসি কিনতে পারেন যদি আপনার বসবাসের জায়গা মধ্যম মানের তাপমাত্রার এলাকায় হয়। এটি এক দরজার জানালায় লাগানো যাবে এমন মডেলও রয়েছে। যেসব জানালা একপাশ থেকে অন্য পাশে দরজা গুলি সরানো যায় এসব জানালার এসির জন্য আলাদা সাপোর্ট সরঞ্জাম লাগে ।

উপকারিতা: দাম কম,আপনার বাসার যে ওয়ারিং আছে তাতেই সংযোগ যোগ্য এবং ইন্সটল করা সহজ।
অপকারিতা: এগুলি দুই দরজার জানালায় লাগান যাবে এমন ডিজাইনে তৈরি ,আপনি যদি দক্ষিন দিকের বাসায় বাস করেন তবে ভাল হয় গরমের শেষে এসিটিকে খুলে ফেলা।

দেয়ালের এসিঃ
এগুলি দেয়ালে স্থায়ি ভাবে লাগানো হয় ধাতব তাক বসিয়ে এবং ভিতরের দিক থেকে এসিতে চেসিস লাগানো থাকে। এই ধরণের এসির মধ্যে শুধুমাত্রা গরম করার জন্য বা গরম ও ডাণ্ডা দুটো করার জন্যই পাওয়া যায় । বাড়ির যেসব যায়গা সেন্ট্রাল হিটিং এ সংযোগ থাকে না সেসব রুমের জন্য ভাল যেমন গ্যারাজ ।

উপকারিতাঃ দেখতে খুব সুন্দর, জানালার এসির চাইতে ভালোভাবে ফিট হয়, কোন স্টোরেজ লাগে না, রিপেয়ার করা সহজ। আপনার রুমের জানালায় যদি একটি দরজা হয় তবে সবচেয়ে ভাল হয় যে সূর্যের আলো ভিতরে আসতে কোন বাধা না থাকে যা হত জানালায় লাগানো এসির ক্ষেত্রে । কিন্তু জানালার যায়গা দখল করেনা যা আল বাতাসের চলাচলে সুবিধা হয় ।
অপকারিতাঃ: ইন্সটল করা একটু খরচান্ত ব্যাপার । দেয়ালে অবশ্যই কাটতে হবে এবং বড় এসি বসানর জন্য ২২০ ভল্টের বিদ্যুতের লাইন থাকতে হবে। অনেক মডেলের সাথেই বাইরের ধাতব তাকটি থাকে না তাই আলালা করে বানিয়ে নিতে হয় । যা কিনতে আপনার অতিরিক্ত ৫০০০ থেকে ৮০০০ টাকা লাগতে পারে। জানালার এসির চাইতে বেশী দামি। দেয়ালে বড় ছিদ্র করতে হয় ।

জানালায়/দেয়ালে লাগানোর এসিঃ
এই ধরণের এসি আপনি সাময়িক ভাবে জানালায় বা স্থায়ি ভাবে দেয়ালে লাগাতে পারেন।
উপকারিতাঃ আপনি যদি ভাড়া বাসায় থাকেন তবে এই ধরণের এসি কিনতে পারেন যা পড়ে আপনার বাড়ির দেয়ালে স্থায়িভাবে বসাতে পারেন ।
অপকারিতাঃ এই মডেল গুলিতে সাধারণত জানালায় বসানত কিট যেমন -নাট, বল্টু , ফ্রেম এগুলি থাকে না। প্লাগের উপর ভিত্তি করে আপনার ২২০ ভল্টের সার্কিট লাগতে পারে ।

বহনযোগ্য এসিঃ
এটি হচ্ছে নীচে চাকা দেয়া এসি যা আপনি এক রুম থেকে অন্য রুমে নিয়ে যেতে পারবেন ।এগুলিতে একটি টিউব থাকে যা দিয়ে দেয়ালের ভিতর দিয়ে তাপ বাইরে বের হয়ে যায় ।অধিকাংশ বহনযোগ্য এসিতে একটি reservoirs থাকে যা খালি করতে হয় । এছাড়া কতগুলিতে ড্রেইন পাইপের জন্য হুক থাকে।

উপকারিতাঃগরম কালের শেসে কোথাও স্টোর করা সহজ।
অপকারিতাঃ জানালার এসি তুলনায় এগুলির দাম বেশী। আপনার রুমের যায়গা দখল করে রাখে আর প্রতিবার এগজস্ত টিউবটি লাগাতে হয় । এটি খুব ভারী আর জানালার এসির মতো এত কার্যকরী না।

এসি কেনার আগে সেসব বিষয় মাথায় রাখতে হবে:
শব্দ: যে এসি যত কম শব্দ করে সেটি তত ভাল। শব্দ পরীক্ষায় সেসব এসি শব্দ একটি ফ্যান ঘোরার মতো শব্দ হয় সেগুলি ভাল এসি হিসেবে গণ্য করা হয় । ভাল শব্দের এসি যখন নীচে সেট করা হয় তখন যারা হালকা ঘুমান তাদের ডিসটারব হতে পারে আর যখন হাই থাকবে তখন সবাই এর শব্দে বিরক্ত হবে ।

জানালার লোকেসানের ধরন: যেসব জানালা দিয়ে বাতাস আসে সেসব জানালায় যদি এসি লাগানো হয় তবে টা ভাল কাজ করে। এজন্য রুমের মাঝ বরাবর যদি জানালা না থাকে তবে টা একটি সমস্যা কেননা রুমকে সর্বত্র সমারভাবে ঠান্ডা করার জন্য এসি মাঝ বরারবর বাতাস দিতে হবে । এজন্য পরীক্ষা করুন আপনার এসির কোন দিকে বাতাস থাকা দরকার । কিছু এসিতে ফ্যান এর রাখার হাতা থাকে ।

এসি সঠিকভাবে ইন্সটল করুন: এসির কার্যকরীতা ঠিক ভাবে পাওয়ার জন্য এটি সঠিক ইন্সটল করতে হবে। জানালায় বসানোর অধিকাংশ এসি দুই দরজার জানালার জন্য। এসি লাগানোর পর নিশ্চিত হবেন যে এটি জানালার সাথে একই লেভেলে আছে যাতে পানি ঠিকভাবে বের হয়ে যেতে পারে।এসিকে গরম করে এমন যেকোনো ডিভাইস এসি থেকে দূরে রাখবেন।

ফিল্টারের লোকেসান পরীক্ষা করুন: ফিল্টার যাতে সহজে পরিষ্কার করা যায় এটি নিশ্চিত করুন যাতে প্রায়শই আপনি এটিকে পরিষ্কার করতে পারেন।

ইনটেলিজেন্ট কুলিং: আজকাল এসি অনেক আধুনিকভাবে তৈরি। এখন স্মার্ট ফোন দিয়েই আপনি এটির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। এটিকে অন্যান্য ঠান্ডা করার যন্ত্রের সাথেও সংযোগ করা যায়।

মেশিনের ওয়ারেন্টি ভালোভাবে চেক করুন: কেনার সময় প্রস্তুতকারক কোম্পানির ওয়েব সাইট থেকে এর তথ্য ভালভাবে জেনে নিন একই সাথে বিক্রেতার কাছ থেকেও মডেল ও ব্রান্ডের ওয়ারেন্টি সম্পর্কে ভালভাবে জেনে নিন।

আপনার প্রয়োজনীয় সাইজটি ঠিক করুন: দাম ও অন্যান্য বৈশিষ্ট্য বিচারের আগে আপনাকে দেখতে হবে আপনি যে পরিমাণ যায়গা ঠান্ডা রাখতে চান তার জন্য কোন সাইজের এসি দরকার।জানালার এসি গুলি সক্ষমতা হল ৫০০০ থেকে ১২৫০০ ব্রিটিশ থারমাল ইউনিট পর্যন্ত।

সুত্র হল প্রতি স্কয়ার ফিট ডাণ্ডা করতে ২০ ব্রিটিশ থারমাল ইউনিট দরকার। আপনার রুমের দৈঘ্য ও প্রস্ত গুন করুন আর দেখুন কোন সাইজের এসি দরকার। তবে শুধু ব্রিটিশ থারমাল ইউনিট বিবেচনা করলেই হবে না। এর সাথে আপনার রুমের উচ্চতা, কোথায় এসি বসাবেন, আপনার রুমের দরজা এবং জানালার সাইজ এই সব কিছুর উপরে এসির সাইজ নির্ভর করে।

আপনার রুম যদি ছায়াজুক্ত হয় তবে সক্ষমতা ১০% কম নিতে পারেন। আপনার রুম যদি বেশী রোদ আসে তবে সক্ষমতা ১০% বাড়িয়ে সাইজ নির্ধারণ করুন। যদি দুই জনের বেশী রমে থাকেন, তবেন দুইএর বেশী প্রতি জনের জন্য ৬০০ব্রিটিশ থারমাল ইউনিট যোগ করে সাইজ ঠিক করতে হবে। আপনি যদি এটি রান্নাঘরে ব্যাবহার করতে চান তবে এটির সক্ষমতা ৪০০০ব্রিটিশ থারমাল ইউনিট বাড়াতে হবে ।

এস ই ই আর রেটিং: সব এসির একটি কার্যকরীতার মাপ আছে যাকে বলে এসিইই র রেটিং –মানে সিজনাল এনার্জি ইফিসিএন্সি রেটিং। হলুদ এনার্জি গাইডে এসইইআর রেটিং লেখা থাকে প্রতিটি এসিতে । এই রেটিং যত বেশী তার মানে এসি তত কার্যকর আর তত কম এনার্জি খরচ ডাণ্ডা করার জন্য।

গত দশক থেকে সর্বনিম্ন এসইইআর রেটিং বাড়তে শুরু করছে। আগের এসি গুলিতে যেখানে রেটিং ছিল ৬ ,২০০৬ সালের জানুয়ারী মাসের পড়ে তৈরি এমন এসির রেটিং কমপক্ষে ১৩। সবচেয়ে ভাল রেটিং যুক্ত মডেলের রেটিং হল ১৫ থেকে ১৭। সহজে বলা যায়- ১৩ এসইইআর যুক্ত এসি ১০ এসইইআর এর রেটিং এর এসি থেকে ৩০ % বেশী কার্যকরী ।

শক্তি সঞ্চয় বৈশিষ্ট্য: বেশী এস ইই আর যুক্ত এসির অন্যান্য শক্তি সঞ্চয় বৈশিষ্ট্য গুলি যা এসি কেনার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে টা হল –বড় কয়েল বেশী কার্যকরীভাবে তাপ নির্গমনের জন্য। u উচ্চ তাপমাত্রা রেটিং (ইইআর) যা ১১.৬ এর বেশী এবং থারমাল সম্প্রসারণ ভাল্ভ ।u একটি পরিবর্তনশীল গতির হাপর বিদ্যুৎ খরচ কমায় ও ইউজেস ঠিক রাখে। u ফ্যান অনলি সুইচ- যার মাধ্যমে আপনি কুলিং বন্ধ করার পরেও ফ্যান চলতে থাকবে এমন বেবস্থা করতে পারেন যাতে প্রাকৃতিক বাতাসে ঠান্ডা হতে থাকে । u স্বয়ংক্রিয় ডিলে ফ্যান সুইচ -এটি লম্বা সময় ধরে ফ্যান চালু রাখে যাতে ভিতরের ঠান্ডা বাতাস থাকে কমপ্রেসর বন্ধ করার পরেও । u ফিল্টার নির্দেশক লাইট -যা আপনাকে সঠিক নির্দেশ দেবে কখন ফিল্টার পরিবর্তন করতে হবে।

আপনি আপনার এসি যত পরিষ্কার রাখবেন এটি তত বেশী কার্যকরী থাকবে। এসি কেনার সময় , এসি কিভাবে কাজ করে , সে বিষয়গুলি আপনার জানা দরকার – এম্পারেজ – সাধারণত রুমগুলিতে ১৫ এম্পস এর সার্কিট রেটেড বিদ্যুৎ থাকে। যদি আপনার রুমে এসি না থাকে তবে এই নিরবচ্ছিন্ন লাইনের বিষয়টি মাথায় রাখুন। বড় এসির জন্য ১২ থেকে ১৫ এম্পস এর সার্কিট ব্রেকার দরকার। এর জন্য আপনার নিরবচ্ছিন্ন লাইন লাগবে ।

ডিহিউমিডিফিকেসান – এই পরিমাপ আপনাকে জানাবে যে কি পরমান আদ্রতা রুম থেকে সরানো হচ্ছে । এটি সর্বনিম্ন প্রতি ঘন্টায় ১ থেকে ১০ পর্যন্ত হতে পারে। যত বেশী তত ভাল যদি আপনি বেশী আদ্রতা যুক্ত জায়গায় থাকেন।

কার্যকরীতা: কোন মডেল কত ভাল, এসি কিভাবে কাজ করে, এটা বজার জন্য প্রস্তুতকারকের এনার্জি এফিসিএন্সি রেটিং লক্ষ্য রাখতে হবে। ইইআর যত বেশী আপনি আপনার এনার্জি খরচ তত কম। প্লাগ এর ধরনঃঅনেক মডেলেই সাধারণত ১২৫ ভি/ ১৫ এ , থ্রি পিন প্লাগ থাকে যা সব বারিতেই ব্যাবহার করা যায় । বড় এসি গুলি থাকে ১২৫ ভি/ ২০ ভি ,২৫০ ভি/ ১৫ এ অর আরও উচ্চ মাত্রার প্লাগ যার জন্য আপনাকে ইলেকট্রিশিয়ান ডাকতে হবে সার্কিট উচ্চমাত্রার করার জন্য। আপনি যদি একটি এসি পরিবর্তন করে, অন্যটি লাগান তবে এমন এসি কিনুন যার প্লাগ আগের মডেলের সাথে ব্যবহার করার যায় ।

এনার্জি ও সময় বাচানোর জন্য এবং এসির বাতাসের গুনাগুন বাড়াতে আমাদের দেখা উচিৎ নীচের বৈশিষ্ট্য গুলি আছে কিনা এনার্জি সঞ্চয়ক সুইচ- সাধারনতো এসির কমপ্রেসর বন্ধ করার পরেও এসি চলতে থাকে ।কিন্তু যদি এই সুইচ থাকে তবে থারম স্টার্ট বন্ধ হওয়ার পর এনার্জি সঞ্চয়ক সুইচ বন্ধ হয়ে যাবে যা আপনার বিদ্যুৎ খরচ কমাবে ।

ফিল্টার লাইট আছে কিনা চেক করুন। অসিলেটিং ভেন্তস যা সময়ের সাথে সাথে বাতাসের গতিকে এপাশ থেকে অপাশে দেয় যাতে রুমের সর্বত্র সমান ভাবে ডাণ্ডা হয় । রিমোট কন্ট্রোলএই ডিভাইসটি আপনাকে রুমের যেকোনো জায়গা থেকে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ দেবে। তাই যখন রাত বাড়ে আর আমাদের শরীরের তাপমাত্রা কমে যায় তখন যাতে আপনি তাপমাত্রা বাড়াতে পারেন তার জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর।

আপনাকে বিছানা থেকে নামতে হবে না কষ্ট করে। স্লিপ মোড আছে কিনা ঢেকে নিবেন যা রাতে ঘুমানোর পর রুমের তাপমাত্রা অল্প বাড়িয়ে দেয় । টাইমার -এর সাহায্যে আপনি পূর্ব নিরধারিত একটি সময়ে এসি চালু করতে বা বন্ধ করতে পারবেন। যেমন ধরুন আপনি বাইরে থেকে ফিরে আপনার রুম ঠান্ডা দেখতে চান- টাইমার দিয়ে এটি করতে পারবেন। ভ্যানটিলেসান –যার মাধ্যমে বাইরের ঠান্ডা বাতাস ভিতরে আনা হয়।

প্রস্তুতকারকের ওয়ারেন্টি: সাধারণত ১ থেকে ২ বছর পর্যন্ত পার্টস ও অন্যান্য অংশের উপর ওয়ারেন্টি থাকে । তাই আসুন এসি কেনার আগে উপরের সব বিসয়গুলি যথাযথ ভাবে জেনে নেই। কারণ এসি একটি উচ্চ বিনিয়োগ আপনার ঘরে। তাই এটি কেনার আগে সব দিক ভাল ভাবে ভেবে কেনাটাই ভাল ।বর্তমানে বাজারে দেশি ও বিদেশি প্রায় ৩০ থেকে ৩৫টি ব্র্যান্ডের ফ্রিজ পাওয়া যায়। এর মধ্যে প্রতিষ্ঠান ও সাইজভেদে দাম ভিন্ন হয়ে থাকে। এসি কেনার আগে, আপনি শিখতে পারেন, যে কি ভাবে একটা এসি মেরামত করা যায়।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

Check for details
SHARE