আপনাকে সুখী করবে ৯ অভ্যাস!

ব্যক্তিগত সাফল্যের অনেকটা পরিমাপ হল আপনার মনের সুখ। অন্যকে সুখী করার মধ্যেই সুখ নিহিত রয়েছে, তবে আপনি যদি নিজে সুখী না হয়ে থাকেন, তাহলে অন্যদের সুখী করা আপনার পক্ষে সম্ভবপর হবেনা।

প্রতিটি দিন একটি প্রত্যাশা নিয়ে শুরু করুন
জীবনের জন্য প্রত্যাশা থাকা অপরিহার্য। অতএব ঘুম থেকে উঠেই আপনার প্রথম ভাবনা নির্ধারণ করে নিন এভাবেঃ আজ ভাল কিছু ঘটবে। আর হয়ত আপনার কথা সত্যিও হয়ে যেতে পারে!

সময় নিয়ে পরিকল্পনা করুন ও আপনার অগ্রাধিকারসূমহ ঠিক করুন
স্ট্রেস তৈরি হয় যখন আপনি ধরে নেন যে আপনাকে অনেক কাজ সম্পাদন করতে হবে। অনেক কাজ নিয়ে চিন্তা না করে যেকোন একটি কাজকে বেছে নিয়ে তা সম্পন্ন করুন যা আপনার জীবনের সর্বোচ্চ লক্ষ্য অর্জনে আপনাকে এক ধাপ এগিয়ে নেবে।

যাকে পারুন তাকেই কিছু না কিছু উপহার দিন
এই উপহার মানে কিন্তু ফর্মাল মোড়কযুক্ত কোন উপহার নয়। উপহার হতে পারে আপনার সামান্য হাসি, ধন্যবাদ জ্ঞাপন, বিনয় প্রদর্শন কিংবা একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্মতি। আর রাস্তা ভিখারিদের দেখলে কিছু না দিয়ে যাবেন না, খুচরা টাকা দান করার মাধ্যমেও আপনি মনের সুখ লাভ করতে পারেন।

পক্ষপাতমূলক আলাপ এড়িয়ে চলুন
যেসব ব্যাপারে সঠিক কোন উত্তর থাকেনা এবং একেক জন একেকটি মতামত তুলে ধরে বিষয়টিকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যায়,সেসব বিষয় এড়িয়ে চলাই ভাল। এরকম কোন বিষয় নিয়ে আলাপ শুরু হলে নিজেকে সেখান থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিন।

অন্য মানুষদেরকেও ভাল ভাবুন
আমরা কেউই জ্যোতিষী নই যে অন্যদের দেখলেই বুঝে নিতে পারব কে কী করে বা কেন করে। অন্যদের খারাপ ধরে নিলে আপনার পৃথিবী ছোট হয়ে আসবে, পক্ষান্তরে অন্যদেরকে ভাল ভাবলে তাদের দোষ-ত্রুটি ক্ষমা করে দেওয়া সহজ হয়ে যায়।

ধীরে ধীরে খাবার গ্রহণ করুন
নিজেদের শরীরকে চালাতে আমরা টুকটাক কিছু না কিছু খেয়ে নিই। এরপরও দিনে অন্তত একবার চেষ্টা করুন মজাদান কোন খাবার খেতে, যেমন সুস্বাদু চকলেট বা আপনার পছন্দের কোন খাবার। যখন খাবেন, তখন খাবারে স্বাদের আবেশে হারিয়ে যান এবং খাওয়াকে উপভোগ করুন।

ফলাফল নিয়ে ভাববেন না
সুখের চরম শত্রু হল দুঃশ্চিন্তা করা এমন জিনিস নিয়ে যা আপনার আয়ত্তের বাইরে। হতে পারে একবার কাজ করা হয়ে গেলে এরপর আপনার আর কিছুই করার থাকেনা। ঐ কাজের ক্ষেত্রে কী হতে পারে বা কী হতে পারত এসব চিন্তা না করে হাতের অন্যান্য কাজের প্রতি মন দিন।

ব্যাকগ্রাউন্ড আওয়াজ বন্ধ করে দিন
অনেক বাসায় শুধু শুধু টিভি চালিয়ে রাখা হয় যা থেকে শব্দ আসে। অথচ কেউ টিভি দেখছে না, সবাই অন্য কাজে ব্যস্ত। টিভির বিজ্ঞাপনের মূল লক্ষ্য হল আপনার জীবনকে অপরিপূর্ণ হিসেবে দেখিয়ে নতুন নতুন পণ্য কিনতে আপনাকে উদ্বুদ্ধ করা। এসব বিজ্ঞাপনের আওয়াজ বন্ধ করার জন্য আপনার বাসার টিভি বন্ধ রাখুন।

প্রতিটি দিন শেষ করুন কৃতজ্ঞ চিত্তে
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে দিনের অন্তত একটি ভাল ঘটনা লিখে রাখুন। হতে পারে তা কোন বাচ্চাকে হাসানোর মত ছোট ঘটনা বা বড় অংকের কোন কাজ হাসিল করার মত বড় কোন ঘটনা। যাই হোক না কেন, কৃতজ্ঞ থাকুন কারণ ঐদিনটি আপনি আর কখনও ফিরে পাবেন না।

তথ্যসূত্র: সাফল্য ডটকম।

Check for details
SHARE